Friday , April 4 2025
Breaking News
Home / অপরাধ / মানি লন্ডারিং মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জি কে শামীমকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন

মানি লন্ডারিং মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জি কে শামীমকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন

অনলাইন ডেস্ক :

মানি লন্ডারিং মামলায় যুবলীগের কথিত নেতা ও আলোচিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। একইসঙ্গে বাকি ৭ আসামির প্রত্যেককে চার বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আজ সোমবার  এ রায় ঘোষণা করেন তিনি।

দণ্ডের পাশাপাশি তিনি আসামিদের ৩ কোটি ৮৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮১৪ টাকা জরিমানার আদেশ দেন। জরিমানার টাকা ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধ না করলে আরও এক বছরের কারাভোগ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্য সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. মোরাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. শহীদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন ও মো. আনিছুল ইসলাম।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সাত সশস্ত্র দেহরক্ষীসহ জি কে শামীমকে তার কার্যালয় থেকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। নিকেতন এ-ব্লকের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাড়িতে তার অফিসে দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এসময় তার কার্যালয় থেকে নগদ এক কোটি ৮০ লাখ টাকা, ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুরের ডলার, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।

এরপর র‌্যাব বাদী হয়ে জি কে শামীমের বিরুদ্ধে  তিনটি মামলা দায়ের করে। অস্ত্র আইনের মামলা নম্বর ২৮(০৯)১৯, মানি লন্ডারিং আইনের মামলা নম্বর ২৯(৯)১৯ ও মাদক আইনের মামলা নম্বর ৩০(৯)১৯।

সিআইডি ২০২০ সালের ৪ আগস্ট আদালতে জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। ২০২০ সালের ১০ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত। মামলাটিতে চার্জশিটভুক্ত ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

মামলার অভিযোগপত্রে, দেশের ১৮০টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৩৩৭ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত রয়েছে শামীমের। এ ছাড়া ঢাকায় দুটি বাড়িসহ প্রায় ৫২ কাঠা জমির মালিক তিনি। এসবের দাম ৪১ কোটি টাকা। শামীম সাত অস্ত্রধারী দেহরক্ষীকে দিয়ে বিভিন্ন অবৈধপথে এসব সম্পদ অর্জন করেন।

এছাড়া মামলার তদন্তকারী সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু সাঈদ জানান, গ্রেপ্তারের সময় আসামীর কাছ থেকে ১ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা, ৯ হাজার মার্কিন ডলার ও ৭৫২ সিঙ্গাপুরি মুদ্রা উদ্ধার হওয়া  অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকায় দুটি বাড়িসহ তাঁর ৫১ দশমিক ৮৩ কাঠা স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে। এগুলোর দলিলমূল্য ৪০ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ২০০ টাকা।

About admin

Check Also

১৭ ব্যক্তির অর্থ পাচার অনুসন্ধানে সিআইডি: বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বাকিদের অনুসন্ধান শেষে দ্রুত সময়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে-সিআইডি প্রধান

জয় ভিশন অনলাইন: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অর্থ পাচারকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *